পার্টনার হিসেবে যোগদানের আগে কমিশন কাঠামো এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। এই গাইডে আমরা ২০২৬ সালের নতুন কমিশন নিয়মাবলী একদম পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছি।
১০% ডিপোজিট রুল
কমিশন পেতে অবশ্যই লক্ষণীয় বিষয় — ক্লায়েন্টের উক্ত প্রজেক্টে জমা টাকার ১০% পরিমাণ-এর সমান বা তার কম কমিশন হতে হবে। অর্থাৎ ১ লক্ষ টাকা কমিশনের জন্য ক্লায়েন্টের অন্তত ১০ লক্ষ টাকা জমা থাকতে হবে।
এই নিয়মটি ক্লায়েন্টের প্রকৃত প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে এবং কোম্পানির ক্যাশফ্লো সুরক্ষিত রাখে।
কখন কমিশন পরিশোধ হয়
ক্লায়েন্টের পেমেন্ট অফিসিয়ালি গৃহীত হওয়ার পর সর্বোচ্চ ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে কমিশন পরিশোধ করা হয়। ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং অথবা চেক — পার্টনারের পছন্দ অনুযায়ী।
পেমেন্ট ডকুমেন্টেশন
প্রতিটি কমিশন পরিশোধের সাথে একটি বিস্তারিত পেমেন্ট স্লিপ প্রদান করা হয় — যেখানে ক্লায়েন্টের নাম, প্রকল্প, ইউনিট, ক্লায়েন্টের জমার পরিমাণ এবং কমিশনের পরিমাণ স্পষ্টভাবে লেখা থাকে।
ট্যাক্স ও অন্যান্য কর্তন
প্রযোজ্য সরকারি কর/AIT (Advance Income Tax) আইন অনুযায়ী কর্তন করা হবে। বার্ষিক ট্যাক্স রিটার্নের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন আমাদের অ্যাকাউন্টস বিভাগ সরবরাহ করে।
বিরোধ নিষ্পত্তি
কমিশন সংক্রান্ত কোনো বিরোধ বা প্রশ্ন থাকলে প্রথমে মার্কেটিং ডিরেক্টরের সাথে আলোচনা করুন। সমাধান না হলে সিইওর কাছে আবেদন করা যাবে — সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্বচ্ছ নিয়মাবলী, সময়মতো পেমেন্ট এবং পেশাদার পরিবেশ — এগুলো প্রমিস পার্টনার প্রোগ্রামের ভিত্তি।




